August 17, 2022
হবিগঞ্জ সংবাদ

হবিগঞ্জ সংবাদ (1977)

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনে এবং তার সুস্থতা কামনায় মঙ্গলবার সারা দেশের ন্যায় নবীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার বাদ এশা নবীগঞ্জ শহরের গোল্ডেন প্লাজায় দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবীগঞ্জ-বাহুবলের গণ মানুষের নেতা আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়ার সার্বিক পরমার্শেক্রমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৮তম জন্মদিন উপলক্ষে তার রোগমুক্তি ও সুস্থতা এবং দেশব্যাপী চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত ও যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পূর্বে বক্তব্য পৌর মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী বলেন রাজপথে আন্দোলন মাধ্যমে এই অবৈধ সরকার পতন করতে হবে তিনি দলীয় নেতাকর্মীকে আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রকামী মানুষের আশা-ভরসার একমাত্র প্রতীক। তিনি জুলুম অত্যচার নিপীড়ন সহ্য করে তিনি জীবনে সংগ্রাম করেছেন, রাজনীতি করেছেন। এমন একটি নৈতিকতার মানদণ্ড তিনি তৈরি করেছিলেন। তিনি সব সময় জনগনের অধিকার আদায়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলেন। পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহাবায়ক ডাঃ আব্দুল আলীম ইয়াছিনী বলেন, খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখে অবৈধ সরকার অবৈধ কার্য্ক্রম করছে। আজকে যদি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার থাকত, তাহলে বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় রাজনীতিতে তার যে কথা, তার যে কণ্ঠ আমরা সবাই শুনতে পারতাম। এটা শেখ হাসিনা ভয় পায় বলেই তাকে বন্দি করে রেখেছে। আজ তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। অন্যদের মধ্যে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল বারিক রনি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশফাজ্জামান চৌধুরী নোমান, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর রুহুল আমিন রফু, সাইফুল ইসলাম মালিক, সভাপতি ডাঃ কামরুজ্জামান, মুর্শেদ আহমদ, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মনর উদ্দিন, পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আলমগীর মিয়া, উপজেলা যুবদল নেতা অলিউর রহমান অলি, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রশিদুল ইসলাম, পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সোহাগ চৌধুরীসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মহান মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান ফরিদ গাজী’র স্বরণে নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু পার্কের শুভ উদ্বোধন ও নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য শাহ নওয়াজ মিলাদ গাজী। এ উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১২ টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিনের সভাপতিত্বে পজিপ কর্মকর্তা সাকিল আহমেদের পরিচালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহ নওয়াজ মিলাদ গাজী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) উত্তম কুমার দাশ, পৌর মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট গতি গোবিন্দ দাশ, নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডালিম আহমেদ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাদেক হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা একেএম মাকসুদুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা জালাল সিদ্দিকী, মুর্শেদুজ্জামান মুর্শেদ, মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ মিলু, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি রাকিল হোসেন।বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি দুলাল চৌধুরী, সদর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব, কৃষকলীগের সভাপতি শেখ শাহ নুর আলম ছানু, শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান মিলন, পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ইকবাল আহমেদ বেলাল, পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, যুবলীগ নেতা রুবেল আহমেদ, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সিনিয়র সভাপতি আলমগীর হোসেন সালমান, সাবেক সহসভাপতি মুহিনুর রহমান প্রমূখ।প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ট সন্তান। তাঁরা নিজের এবং পরিবারের কথা চিন্তা না করে মুক্তিযোদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। তাঁদের এই আত্মদানের বিনিময়েই পেয়েছি আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এই সূর্য সন্তানদের সম্মানে কিছু করতে পারলে আমার বাবা প্রয়াত সংসদ সদস্য, মা-মাটি ও মানুষের নেতা দেওয়ান ফরিদ গাজী’র মহোদয়ের প্রতি সম্মান জানানো হবে। কারণ তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। তিনি বলেন এই শিশু পার্ক নির্মাণে ভারত সরকার সোয়া কোটি টাকা দিবে। যদি ৩/৪ কোটি টাকাও লাগে সেই টাকাও তারা দিবে। এখন আমাদের করনীয় সুন্দর একটি পরিকল্পনা। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
পরে প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু পার্কের শুভ উদ্বোধন ও নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনে এবং তার সুস্থতা কামনায় মঙ্গলবার সারা দেশে ন্যায় নবীগঞ্জ  পৌর যুবদলের উদ্দ্যেগে  দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।  মঙ্গলবার বাদ আসর নবীগঞ্জ দারুল উলুম মাদ্রাসা মজসিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। নবীগঞ্জ-বাহুবলের গন মানুষের নেতা আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়ার সার্বিক পরমার্শে ও জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক জালাল আহমেদ এর দিক নিদের্শনায়  দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে তার রোগমুক্তি ও সুস্থতা এবং দেশব্যাপী চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত ও যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুস্থতা কামনায়  দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পূর্বে বক্তব্য পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আলমগীর মিয়া  বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের গণতান্ত্রকামী মানুষের আশা-ভরসার এক মূর্ত প্রতীক। তিনি জুলুম অত্যচার নিপীড়ন সহ্য করে  তিনি জীবনে সংগ্রাম করেছেন, রাজনীতি করেছেন। এমন একটি নৈতিকতার মানদণ্ড তিনি তৈরি করেছেন জনগনের কাছে, যে ওয়াদা দেন সেই ওয়াদা থেকে কোনোদিন সরে আসেননি। তিনি সব সময় জনগনের কাছে তাদের অধিকার আদায়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলেন। পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহাবায়ক ডাঃ আব্দুল আলীম ইয়াছিনী বলেন  খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখে অবৈধ সরকার অবৈধ কার্য্ক্রম করছে। আজকে যদি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার থাকত, তাহলে বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় রাজনীতিতে তার যে কথা, তার যে কণ্ঠ আমরা সবাই শুনতে পারতাম। এটা শেখ হাসিনা ভয় পায় বলেই তাকে বন্দি করে রেখেছে। আজ তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি অন্যদের মধ্যে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক মনর উদ্দিন, উপজেলা বিএনপি নেতা জাহান আহমদ জানার, শাহীন আহমদ বসু, নবীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রায়নুল বারী, পৌর যুবদলের সিনিয়র সদস্য ফুল মিয়া,হাসান চৌধুরী, ইসলাম উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম,তৌহিদুল ইসলাম, নৌশাদ আহমদ, আকবর আলী, সেচ্ছাসেবক দল নেতা কুহিনুর  ইসলাম, ছাত্রদল নেতা সাগর মিয়া, তুহিন আলম রেজুয়ান, উপস্থিত ছিলেন।

নবীগঞ্জে শালুক তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় জিতু মিয়া নামের অপর এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুরে গুনগিয়াজুরি হাওড়ের ফুকলারপাড়া নামকস্থানে।নিহত আব্দুল হামিদ নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বড় আলীপুর গ্রামের শুকুর মিয়ার পুত্র। গুরুতর আহত জিতু মিয়া একই গ্রামের নোওয়াব উল্লার পুত্র।স্থানীয়রা সূত্রে জানাযায়, দুপুরে বৃষ্টির সময় গুনগিয়াজুরি হাওড়ে শালুক তুলতে গিয়েছিলেন হামিদ ও জিতু। মুহূর্তেই বজ্রপাতের বিকট শব্দ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করেন আব্দুল হামিদ ও গুরুতর আহত হন জিতু মিয়া।এ সময় স্থানীয়রা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হামিদ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত জিতু মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ও পৌর পরিষদের উদ্দ্যেগে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। এ দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত অবস্থায় উত্তোলন করা এবং শোক র‌্যালি অনুষ্টিত হয় সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুারালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী।এসময় উপস্থিত ছিলেন,নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম,উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন,সহকারী কমিশনার (ভূমি) উত্তম কুমার দাশ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এডঃ গতি গবিন্দ দাশ, ভারপ্রাপ্ত মেয়র জায়েদ চৌধুরী,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ ,নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাকসুদুল করিম,শিক্ষা অফিসার সাদেক খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সিদ্দিক, বর্তমান যুগ্ম সম্পাদক কাজ্বী ওবায়দুর কাদের হেলাল, এডঃ মুজিবুর রহমান কাজল, ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব,ইউপি নির্মেলেন্দু দাশ রানা,রঙ্গলাল রায়,নোমান আহমেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজভী আহমেদ খালেদ,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক লোকমান আহমেদ খান,নবীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র ২ আব্দুস ছোবান, প্যানেল মেয়র-৩ ফারজানা পারুল, কাউন্সিলর জাকির হোসেন, ফজল আহমদ চৌধুরী,কবির মিয়া, নিবার্হী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী অরুন চন্দ্র দাশ,  প্রধান সহকারী সরাজ মিয়া, সহকারী কর আদায়কারী পৃর্থি¦শ চক্রবর্তী, সহকারী এ্যাসেসর উমা রানী বনিক, কার্য সহকারী মোঃ আবু মুসা,হিসাব সহকারী জুয়েল চৌধুরী, আব্দুল আহাদ মিয়া আবু বক্কর, শেখ আল- আমিন প্রমুখ।এছাড়া ফুল শ্রদ্ধা জানায়, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, থানা প্রশাসন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, এলজিডি, সাংবাদিক সমিতি, ব্যাংক বীমা, নবীগঞ্জ জোনাল অফিস পল্লী বিদ্যুৎ, এনজিও কর্মীসহ বিভিন্ন সংঘঠনের নেতাকর্মীরা।এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে মিলিত হয়। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে উপজেলা অডিটিরিয়াম ভবনে এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীলের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারণ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

দৈনিক মজুরী বৃদ্ধির দাবিতে হবিগঞ্জের ২৪টি চা বাগানে শনিবার সকাল থেকে ধর্মঘট চলছে। দাবি মানাতে তারা ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। যদি সোমবারের মধে দাবি মানা না হয় তবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধেরে হুমকি দেন শ্রমিক নেতারা। গতকাল শনিবার বেলা ১১টা থেকে তারা আন্দোলনে নামেন। বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া চা বাগানে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বাগানের শ্রমিকরা। এ সময় তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা ঢাকা-মৌলভীবাজার মহাসড়ক অবরোধ করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা আন্দোলন থেকে সরে আসবেননা বলে জানান। অপরদিকে বাহুবল উপজেলা সদরে আরও কয়েকটি বাগানের শ্রমিকরা উপজেলা পরিষদের সামনে রাস্তা অবরোধ করে সমাবেশ করেন। এতে একাত্মতা প্রকাশ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান প্রমূখ। কামাইছড়া চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি বিমল ভর বলেন, আপনারা খাবেন আর আমরা খাবনা তা হতে পারেনা। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির বাজারে দৈনিক ১২০ টাকা মজুরী তাদের খাবারই হয়না। তারা কি করে সন্তানদের লেখাপড়া শেখাবেন, ঔষধ কিনবেন কি দিয়ে আর জামাকাপড়ই কিনবেন কি দিয়ে। অতএব দৈনিক কমপক্ষে অন্তত ৩০০ টাকা হলে ঠিকমতো খাবার খেয়ে বাঁচতে পারবেন। মালিকপক্ষ শুধু আমাদের সাথে টালবাহান করছে। কিন্তু আমাদের দৈনিক মজুরী বৃদ্ধি করেনা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে।বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে যদি দাবি মানা না হয় তবে মঙ্গলবার আমরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করবো।সমাবেশে যোগ দিয়ে বাহুবল উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি এটি। আমরা অনুরোধ করবো কর্তৃপক্ষ যেন তাদের এ দাবি মেনে নেন। তাছাড়া চা শ্রমিকরা বরাবরই আওয়ামী লীগের ভোটার। সে হিসেবে প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বালিশিরী ভ্যালির সভাপতি সুভাষ দাশ বলেন, ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আমাদের দাবি মানতে হবে। অন্যথায় আমরা মঙ্গলবার থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করবো। এখন সে পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। কোন শ্রমিক কাজে যোগ দেবেনা। বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মানববন্ধন চলবে।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন- বিএনপির নেতাকর্মীরা জীবন দিবে তবুও রাজপথ থেকে পালাবে না। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিত করেই বিএনপি ঘরে ফিরবে। হামলা হামলা আর পুলিশের গুলি’র ভয় উপো করেই আমরা বিএনপি করি। বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে ভালবাসে, হৃদয়ে লালন করে, বিশ্বাস করে। তাই দেশের জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট মতায় দেখতে চায়। আওয়ামীলীগকে আর এক সেকেন্ডের জন্যও মানুষ মতায় দেখতে চায় না। তিনি গতকাল শুক্রবার বিকালে শায়েস্তানগরস্থ বিএনপির কার্যালয়ের সামনে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির বিােভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, নজীরবিহীন লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, ভোলায় পুলিশের গুলিতে আব্দুর রহিম ও নুরে আলম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জি কে গউছ আরও বলেন- দেশকে বাচাঁতে হলে, দেশের মানুষকে বাচাঁতে হলে আওয়ামীলীগের পতন নিশ্চিত করতে হবে। দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে আওয়ামীলীগ দেশের ক্ষমতা দখল করে আছে। এই সরকার দেশ পরিচালনায় সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। দুঃশাসন আরও লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এই সরকার দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। যে কারনে রিজার্ভ শূন্য হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না। জ্বালানি তেল আমদানী করতে পারছে না। তাই সরকার তাদের ব্যর্থতা আড়াল করতে নজিরবিহীন লোডশেডিং দিচ্ছে। রাতের আধারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে, দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। শুধু বাড়েনি মানুষের আয়। এই অবস্থা চলতে থাকলে দেশের মানুষকে না খেয়ে মরতে হবে। জি কে গউছ বলেন- পুলিশ আমাদের প্রতিপক্ষ না। কিন্তু আওয়ামীলীগ সু-কৌশলে পুলিশকে আমাদের প্রতিপ বানাতে চায়। কারণ রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে মোকাবেলা করতে আওয়ামীলীগ ব্যর্থ হয়েছে। আওয়ামীলীগ আইন শৃংখলা বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে আছে। তিনি পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন- জনগণের ট্যাক্সের টাকায় আপনাদের বেতন হয়। তাই জনগণের পাশে দাঁড়ান, জনগণের দাবীর সাথে একমত পুষণ করুন। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধাঁ হয়ে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করুন। আপনাদের মনে রাখা উচিৎ, সময় একদিন পরিবর্তন হবে। আজ আপনারা যাদের পূজা করছেন, সামনে পিছনে পাহাড়া দিচ্ছেন, তারা জনগণের ভোট চোর, মানুষ তাদের ঘৃনা করে। তারা লাগামহীন দূর্নীতির মাধ্যমে জনগণের সম্পদ লুটপাট করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। তারা জনবিচ্ছিন্ন। দেশের পটপরিবর্তন হলে আপনাদের তাদের খোঁজে পাবেন না। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, সদস্য আকাদ্দুস মিয়া বাবুল, মহিবুল ইসলাম শাহীন, আবু সালেহ মোঃ শফিকুর রহমান, জাহেদুল ইসলাম জিতু, হাজী লুৎফুর রহমান, ফরহাদ হোসেন বকুল, এডভোকেট আব্দুল কাদির, এম এ মুছা, গীরেন্ড চন্দ্র রায়, কামাল সিকদার।
সদর উপজেলা বিএনপি ঃ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান কাজল, যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল ইসলাম মতিন, আজম উদ্দিন, এডভোকেট আফজাল হোসেন, মশিউর রহমান কামাল, এডভোকেট মইনুল হোসেন দুলাল, এম এ মানিক, ফারুক মিয়া, মতিউর রহমান, ফরিদ মিয়া, হাজী জুলমত আলী, হাজী আব্দুল মতিন, হাফেজ উসমান, শিপন আহমেদ আছকির, আব্দুস সোবহান, এডভোকেট ইলিয়াছ মিয়া, মস্তোফ মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, মমিন মিয়া, আব্দুল জব্বার, জিলু মিয়া, সেলিম মিয়া, কাজী শামছু মিয়া, আব্দুল মজিদ, রায়হান মেম্বার, আব্দুল কালাম প্রমুখ। হবিগঞ্জ পৌর বিএনপি ঃ হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নানু, যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, মোঃ আলাউদ্দিন, শাহ আলম চৌধুরী মিন্টু, মর্তুজা আহমেদ রিপন, নাজমুল হোসেন বাচ্চু, মুজিবুর রহমান মুজিব, শাহ মুশলিম, আব্দুল গফুর, আব্দুর রউফ, লিটন আহমেদ, কামাল খান, মামুন আহমেদ, সাহেব আলী, আব্দুল হান্নান, আমীর আলী, আক্কাস আলী, হারিস মিয়া, গোলাপ খান, ইলিয়াছ মিয়া, আনোয়ার আলী, আনিসুজ্জামান জেবু, ইকবাল আহমেদ, কাজল মিয়া, সাজিদ মিয়া, বজলুর রহমান, বাদল আহমেদ, আছকির মিয়া, আবুল হোসেন, আবুল হোসেন, ফকির নেওয়াজ, আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী বকুল, আকবর আলী, নাসির উদ্দিন, দেওয়ান মোহাইমিন চৌধুরী ফুয়াদ, গাজী খান আফজাল, শাহ সাহান, শফিকুর রহমান, আলকাছ মিয়া, গাজী রিপন, শাহ তাউছ, নুর মোহাম্মদ, গোলাপ খান, আবুল হাসান, আবুল হোসেন, রাজু বিশ্বাস প্রমুখ। শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপি ঃ শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মেয়র ফরিদ আহমেদ অলি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ, মিজানুর রহমান শাকীম, নুরুল হোসেন বাচ্চু, শামীম চৌধুরী, ওয়াহিদ মিয়া, ছমির আলী, মখলিছুর রহমান, হাবিব মিয়া, আব্দুস শহীদ, মাসুম মিয়া, আছকির মিয়া, নয়ন মিয়া প্রমুখ। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঃ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল করিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু তাহের, সহ সভাপতি নিজামুল ইসলাম বিলাল, আব্দুল আজিজ ফরহাদ, আব্দুল হাই, শফিকুর রহমান সুজিত, আব্দুল কাইয়ুম ফারুক, শহীদ মেম্বার, নিজাম উদ্দিন মোহন, ইলিয়াছ মিয়া, সাইফুল ইসলাম, সেলিম আহমেদ, আসকির মেম্বার, হুমায়ুন কবির, হাসানুর রহমান ইনু, তৌফিক মিয়া, আব্দুন নুর, মাহমুদ মিয়া, আশরাফ উদ্দিন, সারাজ খান, মোশাহিদ মিয়া প্রমুখ।
লাখাই উপজেলা বিএনপি ঃ লাখাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফরিদ মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম গোলাপ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুদ্দিন আহমেদ, তাজুল ইসলাম মোল্লা, মস্তোফা কামাল খসরু, এডভোকেট মোক্তাদির হোসেন, এডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, এমদাদুল হক, মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, রফিক মেম্বার, ইব্রাহিম মিয়া, বশির আলম, সুরে রহমান, মোহাম্মদ আলী, ডাঃ তোফাজ্জুল হক, ইকবাল আহমেদ, ফারুক মিয়া, জালাল তালুকদার প্রমুখ।
চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপি ঃ চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর সিরাজ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম শ্যামল তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম সরকার, খায়রুল আলম, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, নুরুল আমিন, নিল মিয়া, আব্দুল মতিন, কামরুল হাসান শামীম, প্রফেসার আব্দুল হামিদ তালুকদার, আবু তাহের নিল, হাবিবুল আলম, আফজাল খান, সৈয়দ মাহফুজ, হাজী আব্দুল মালেক, হাজী আবু জাহির, আলহাজ্ব খাইয়রুল আলম প্রমুখ। চুনারুঘাট পৌর বিএনপি ঃ চুনারুঘাট পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী দিদার হোসেন প্রমুখ। বানিয়াচং উপজেলা বিএনপি ঃ বানিয়াচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মজিবুল হোসেন মারুফ, সাধারণ সম্পাদক নকীব ফজলে রকীব মাখন, ওয়ারিশ উদ্দিন খান, মোস্তফা আল হাদি, মহিবুর রহমান বাবলু, মতিউর রহমান মতু, জাহির হোসেন, সালাউদ্দিন ফারুক, মাওলানা লুৎফুর রহমান, সোহেল আহমেদ, নাজমুল হোসেন, শরীফ উদ্দিন ঠাকুর, বাবুল তালুকদার, সৈকত খান, শেখ বাকের, তানিয়া খানম, দেলোয়ার হোসেন, এডভোকেট আবুল কাশেম, মোশাররফ হোসেন, রুহুল আমিন, শামছুদ্দিন রানা রিপন, সুব্রত দাস বৈষ্ণব, মওদুদ আহমেদ, সাইদুর রহমান, রাসেল ঠাকুর, জহির লস্কর, উজ্জল মিয়া প্রমুখ।
বাহুবল উপজেলা বিএনপি ঃ বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষার, সাধারণ সম্পাদক হাজী শামছুল আলম, সহ সভাপতি হাফেজ আব্দুর রকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক এনাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই শিবুল, ইমাম শরীফ জুয়েল, আতিকুর রহমান, তোফাজ্জুল হোসেন, এখলাছ মিয়া, শহিদুল মেম্বার, টুকু মিয়া মেম্বার প্রমুখ। নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঃ নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সরফরাজ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান সেফু, মজিদুর রহমান মজিদ, রিপন চৌধুরী, শাহীদ আহমেদ, মতিউর রহমান জামাল, হারুনুর রশিদ, রাসেল আহমেদ প্রমুখ। আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঃ আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামছুল আলম, আব্দুল মোহিত, রশিদ মিয়া, মাসুদ পারভেজ, মফিজ মিয়া, ইসমাইল হোসেন, সাজ্জাদ সওদাগর, মহিবুর রহমান, মাসুদ মিয়া, ফজলু মিয়া, জিবলু আহমেদ, পিয়ার আহমেদ, শিশু মিয়া প্রমুখ। আজমিরীগঞ্জ পৌর বিএনপি ঃ আজমিরীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ জনফুল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদুর রশিদ ঝলক, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার মেম্বার, শাহিদুল ইসলাম, আলী হোসেন, রাখেশ দাস, শায়েল আহমেদ, সাইমুন হাসান সুমন, ইয়াসিন হাসান, হুমায়ুন আমিন, ইমরান মিয়া প্রমুখ। যুবদল ঃ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু, সহ সভাপতি মহসিন সিকদার, মোশাহিদ আলম মুরাদ, তৌফিকুল ইসলাম রুবেল, কামরুল হাসান রিপন, আবুল কাশেম জুয়েল, এডভোকেট গুলজার খান, এডভোকেট কুতুব উদ্দিন জুয়েল, মঞ্জুর উদ্দিন মঞ্জু, নজরুল ইসলাম কাওছার, আব্দুল করিম, নাসির উদ্দিন, আব্দুল কাইয়ুম, আবুল বাশার ইশা, জমির আলী, টিপু আহমেদ, নজরুল ইসলাম, মালেম শাহ, মিজানুর রহমান সুমন, মুর্শেদ আলম সাজন, অলিউর রহমান, সাইদুর রহমান শামীম, নরোত্তম দাস, শাহানুর রহমান আকাশ, তারেক রহমান, হোসাইন আহমেদ রানা, আনোয়ার হোসেন বাদল, শাহীন আলম, আব্দুল হান্নান নানু, জাহিদ হাসান কবির, মাহমুদুল হাসান, এডভোকেট মোজাম্মিল হোসেন, আলমগীর মিয়া, এমদাদুল হক এমরান, আমিনুল ইসলাম আকনজি, মোশাহিদ আলী, সাদিকুর রহমান লিটন, মাহবুবুর রহমান মালু, ফজলু মিয়া, জহিরুল হক সোহেল, জি এম নুরুল হক, নুর উদ্দিন, লুৎফুর রহমান জালাল, জসিম উদ্দিন, রাজন দাস, মোতাক্কিন আহমেদ জয়নাল, শামছুর রহমান জুয়েল, শেখ শাহিন, শাহ নেওয়াজ মেম্বার, আক্তার হোসেন, শাহেদ আহমেদ রিপন, বাদশা সিদ্দিকী, শফিক মিয়া, আব্দুল হান্নান, জামাল মিয়া, আদম আলী, সাইদুর রহমান প্রমুখ।
শ্রমিকদল ঃ জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস এম বজলুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রতন আনসারী, সোহেল এ চৌধুরী, তুহিন খান, আব্দুল খালেক, আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল হক, নাসির মিয়া, শাহিদ সরদার, কাজল মেম্বার, আমীর আলী প্রমুখ। স্বেচ্ছাসেবক দল ঃ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহিরুল হক শরীফ, এমদাদুল হক বাবুল, আব্দুল আহাদ আনসারী, শেখ মুখলিছুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, সৈয়দ রুহেব হোসেন প্রমুখ।
মৎস্যজীবি দল ঃ জেলা মৎস্যজীবি দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, তাজুল ইসলাম, মিন্টু লাল দাস, ইউসুফ মিয়া, ওসর মিয়া, তাহির উদ্দিন প্রমুখ। জাসাস ঃ জেলা জাসাসের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, সদস্য সচিব আলী হোসেন সোহাগ, ফজর আলী ফজল, আরশাদ ফজলে খোদা লিটন, এমদাদুল হক লিটন প্রমুখ। মহিলা দল ঃ জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ সভাপতি নুরজাহান বেগম, সহ সভাপতি নাদিরা খানম, পান্না আক্তার, আফরোজা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিমু আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুরাইয়া খানম রাখি, শিরিনা বেগম, আইরিন আক্তার, শেখ নেহারা বেগম, পিয়ারা বেগম, নাজমা আক্তার, মায়া বেগম, জুসনা আক্তার প্রমুখ। কৃষক দল ঃ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম, শফিক মিয়া, হোসাইন আহমেদ, আব্দুর রউফ, জিতু মিয়া।
ওলামা দল ঃ এডভোকেট মোঃ ইলিয়াছ, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস নুরী, মাওলানা আব্দুল্লাহ হিল কাফি, মোঃ মহি উদ্দিন, তৌহিদ চৌধুরী।
ছাত্রদল ঃ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহবুব, সাইফুল ইসলাম রকি, আল আমিন তালুকদার, কামরুজ্জামান উজ্জল, শাহ আলম হোসাইন, মাজহারুল আলম রাবিব, এহসানুল হক ইমরান, ফয়জ উল্লাহ, নাজমুল হোসেন অনি, ইকবাল হোমেন রুমন, কামরুল হাসান, খলিলুর রহমান মাসুম, এজাজুল হক এজাজ, সাজ্জাদুর রহমান শাওন, আসিফুল, তারেক তালুকদার, শামছুদ্দিন মোঃ আরিফ, এমদুল হক ইমন, আমিনুল ইসলাম জিসান, ফয়জুল ইসলাম ইব্রাহিম, মোজাক্কির হোসেন ইমন প্রমুখ।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের আউশকান্দি শহীদ কিবরিয়া চত্বরে ডাকির প্রস্তুতিকালে ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ ঘটিকায় আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র,একটি পাইপগান গ্রিলকাটার,চিরাপাঞ্জা,রামদা,জি আই পাইপ,  ১টি পিকআপ গাড়ীসহ ডাকাতদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলো,উপজেলার বাউশা ইউনিয়নের হরিধরপুর গ্রামের ফটিক মিয়ার পুত্র রুবেল মিয়া,(২৯), করগাও ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের আঃ গনির পুত্র মোঃজাহাঙ্গীর (২৫), কালিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়নের মৃত আঃ গনির পুত্র মো মহিবুর রহমান (২৮),সিলেট বালাগঞ্জের মোখলিছ খানের পুত্র রুজেল খান(ময়না মিয়া ২৪),ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বাজার চড়া গ্রামের হাজী তাহির উল্লাহ পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (জাহান)( ২২)।পুলিশ সূত্রে জানাযায়,বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এস,আই জাহাঙ্গীর আলম, গৌতম সরকার,আবু সাঈদ, রাজিব রহমান,বিজয় দেবনাথ মোস্তাফিজুর রহমান, এএস আই বিমল দাসসহ একদল পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের শুক্রবার বিকেলে হবিগঞ্জ কোর্টে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ।

নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের ৬ সন্তানের জননী আম্বিয়া বেগম (৪৫) নামের এক মহিলার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন। আম্বিয়া বেগম উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের মৃত ইসলাম উদ্দিনের স্ত্রী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, আম্বিয়া বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী ছিলেন। পরিবারের লোকজন তাদের ঘরের তীরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমেদের নির্দেশনায় এসআই গৌতম দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার এসআই গৌতম দাশ বলেন, আম্বিয়া বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।

ইউরোপের দেশ গ্রিসে ঝরে গেলেন নবীগঞ্জের একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। আজির উদ্দিন নামের এই গ্রিস প্রবাসী দীর্ঘদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত ৮ আগষ্ট সোমবার গ্রিসের স্থানীয় সময় বিকেল ৪ ঘটিকার দিকে এথেন্সের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজির উদ্দিন নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের মোতাহির আলীর পুত্র।জানাযায়, জীবিকার তাগিদে প্রায় ৫ বছর পূর্বে প্রবাসে পাড়ি জমান আজির উদ্দিন। তুরস্ক হয়ে গ্রিসে প্রবেশ করে এথেন্সের ওমোনীয় এলাকায় একটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন সেলুনে চাকুরী করেন আজির। চলতি বছরের প্রথম দিকে অসুস্থতাজনিত কারণে বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এরপর বাসায় ফিরে মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। এ অবস্থায় গত ১৪/০৩/২২ইং তারিখে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর প্রচার হয়। এরপর গত ১৭ এপ্রিল খোঁজ মিলে একটি হাসপাতালে। এরপর থেকে সেই হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার গ্রিসের স্থানীয় সময় বিকেল ৪ টার দিকে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তার মৃতদেহ দেশে আনার দাবী জানিয়েছেন স্বজনরা।এ প্রসঙ্গে গ্রিসের বাংলাদেশি সাংবাদিক ইউরো বাংলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মতিউর রহমান মুন্না বলেন, হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করায় এখানে অনেক আইনি জটিলতা রয়েছে। বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সার্বিক সহযোগীতায় ও গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে যথাযত প্রক্রিয়ায় লাশ দেশে পাঠানো হবে। সব কিছু সম্পন্ন করে লাশ দেশে নিতে ৭-৮ দিন সময় লাগবে। বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি লাশটি দেশে পাঠানোর জন্য ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় কার্যক্রম শুরু করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশটি বাংলাদেশ কমিউনিটির নিকট হস্তান্তর করলে এথেন্সে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে লাশটি কার্গো বিমানের মাধ্যমে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে দূতাবাস।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular