Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha
July 1, 2022

বানিয়াচংয়ে অব্যবস্থাপনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন নিজেই অসুস্থ রোগী। দীর্ঘ ৩ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত গরমে নাজেহাল অবস্থার মধ্যে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাসপাতালের ভর্তীকৃত পুরুষ ওয়ার্ডের রোগীরা।তারপরও সরকারি ভাবে চালু করা হয়নি বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহকারী যন্ত্র জেনারেটর।বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ না হওয়ায় অতিরিক্ত গরমে ঘন্টার পর ঘন্টা রোগীরা ছিলেন অসহনীয় ভোগান্তিতে। গত মঙ্গলবার(২৮ জুন)দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ এবং বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিলো বলে জানান এক ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী রোগীরা জানান,গত সোমবার (২৭ জুন)রাত থেকেই হাসপাতালের বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটির ফলে বিদ্যুতের বেলকিবাজি চালাচ্ছিল বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ। তাদের এই বেলকিবাজীর কারনে ঘন্টাব্যাপী বিদ্যুৎ ছিল বন্ধ। এমন পরিস্থিতিতে কোনপ্রকার বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা করেননি বানিয়াচং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।ফলে গরমের মধ্যে ভোগান্তিতে পড়েন ভর্তীকৃত রোগী ও তাদের সাথে থাকা স্বজনরা। পল্লী বিদ্যুৎতের লাইনে সমস্যার কারণে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু দীর্ঘ তিন ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার পরও বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ভর্তি হওয়া রোগীর এক অভিবাবক সেলিম মিয়া বলেন,উনার স্ত্রী পেট ব্যাথা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ১২টায় হাসপাতালে ভর্তি করান। অথচ হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় গরমের অসহনীয় যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে অবশেষে তার স্ত্রীকে নিয়ে হবিগঞ্জ জেলা শহরে চিকিৎসা করান।উনার আরও বলেন বর্তমানে হাসপাতালের এমন অব্যবস্থাপনার কারনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এখন নিজেই অসুস্থ রোগী হয়ে পড়েছে। তাই এখানে আর স্ত্রীর চিকিৎসা সেবা নেননি তিনি। অন্যদিকে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউ এইচও ডাঃশামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে শায়েস্থাগঞ্জে তাহার ব্যাক্তিগত একটি ক্লিনিক চালানোর খবরও লোকমূখে শুনা যাচ্ছে। যার একারণে তিনি নাকি হাসপাতালের সার্বিক পরিচালনায় সময় দিতে না পারায় এমন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও প্রচার প্রচারনা রয়েছে এখন সর্বত্র। তবে তাহার ক্লিনিক চালানোর বিষয়ে এখনও কোন সঠিক তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই তাহার এবিষয়টি নিয়ে এবং এর সত্যতা নিশ্চিত করতে আমাদের অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন একদল অনুসন্ধানী টিম। এদিকে বানিয়াচং পল্লী বিদ্যুৎ বন্ধের বিষয়ে জানতে,পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ডিজি এম মোঃ পারভেজ ভূইয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,লাইনে সমস্যা ছিলো এবং মুঠোফোনে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই লাইনটি ঠিক করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে দিয়েছেন বলে দাবী তাদের। এব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃশামীমা আক্তারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,বিদ্যুৎ লাইনে হয়তো সমস্যা হয়েছে,বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।হাসপাতালে আমাদের সচল জেনারেটর রয়েছে।তবে কেন বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

বানিয়াচং উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে ২ শতাধিক অসহায় বন্যার্তদের মধ্যে আল খায়ের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে মুরাদপুর এসইএসডিপি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের পুর্বে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ-এর পরিচালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী, আল খায়ের ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর তারেক মাহমুদ, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবর সভাপতি রাসেল চৌধুরী। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ইফফাত আরা জামান উর্মি, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাভিদ সারওয়ার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শোয়েব শাত-ঈল ইভান,সমাজ সেবক আলমপানা চৌধুরী মাসুদ,বাংলা টিভির হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জাকারিয়া চৌধুরী, মাই টিভির হবিগঞ্জ প্রতিনিধি নিরঞ্জন গোস্বামী শুভ।সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেন,আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমান খাদ্য সমাগ্রী রয়েছে। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো বন্যার্তদের সহযোগীতায় এগিয়ে আসছে।আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। ধন্যবাদ জানাই আল খায়ের ফাউন্ডেশনকে বন্যার্তদের জন্য এমন খাদ্য সামগ্রী বিতরণের জন্য। বন্যার্তদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আপনাদের চিন্তার কোন কারণ নেই আপনাদের যে কোন ধরণের সহযোগীতায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

বাহুবল উপজেলার নন্দনপুর বাজারে বিভিন্ন দোকান ও ফার্মেসীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে ভোক্তা অধিকারের সংরক্ষরণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহার নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।এ সময় ওই বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করার অভিযোগে জাবি এন্ড আরিফ ফার্মেসীকে ৭ হাজার, খান মেডিকেল হলকে ৮ হাজার, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির অভিযোগে জান্নাত স্টোরকে ২ হাজার টাকা, মিষ্টির প্যাকেটের ওজন বেশি ও মূল্য তালিকা না থাকা এবং দইয়ের বক্সে মেয়াদ না থাকায় লোকনাথ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ৩ হাজার, একই অভিযোগে ভাই ভাই ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত সহযোগিতা করে র‌্যাব-৯ একটি দল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যান। দেবানন্দ সিনহা জানান, অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

২৯ জুন সকাল ১১ টায় নবীগঞ্জ পৌরসভার কনফারেন্সে রুমে পৌরসভার মাসিক সাধারণ সভায় ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় মেয়র মহোদয়ের অনুমতিক্রমে পৌরসভার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শেখ মো জালাল উদ্দীন নবীগঞ্জ পৌরসভার ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের জন্য ৪২,৮৪,৮০,১২৯ টাকার খসড়া বাজেট উপস্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। এতে সর্বমোট ৪২,৮৪,৮০,১২৯ টাকা আয়, ৪২,৬৮,৮৪,৭০০ টাকা ব্যয় এবং ১৫,৯৫,৪২৯ টাকা সার্বিক উদ্ধৃত্ত দেখানো হয়। বাজেটের সারসংক্ষেপ: (১) মোট রাজস্ব আয় ৫,৪৮,৮০,১২৯টাকা, (২) মোট উন্নয়ন আয় ৩৭,৩৬,০০,০০০ টাকা, এর মধ্যে সরকার প্রদত্ত উন্নয়ন সহায়তা (বিশেষ বরাদ্দসহ) মঞ্জুরী ১,৫০,০০,০০০ টাকা, সিলেট বিভাগ গ্রামীণ এ্যাকসেস সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প ১০,০০,০০,০০০ টাকা ইউজিআইআইপি ৫০,০০,০০০ টাকা, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে ট্রাস্ট ফাণ্ডের অনুদান ৫০,০০,০০০ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ১০,০০,০০,০০০ টাকা, কোভিড-১৯ এর ক্ষতি জনিত প্রভাব মোকাবেলায় অনুদান ৫০,০০,০০০ টাকা, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ১০,০০,০০,০০০ টাকা, পৌর ভবন ৪,০০,০০,০০০ টাকা, অন্যান্য খাতে আয় ৩৬,০০,০০০ টাকা। সর্বমোট আয় ৪২,৮৪,৮০,১২৯ টাকা, এর মধ্যে রাজস্ব ব্যয় ৫,৪০,৬০,০০০ টাকা, উন্নয়ন ব্যয় ৩৭,২৮,২৪,৭০০ টাকা, সর্বমোট ব্যয় ৪২,৬৮,৮৪,৭০০ টাকা এবং সার্বিক উদ্ধৃত্ত ১৫,৯৫,৪২৯ টাকা। উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-০১ জায়েদ চৌধুরী, প্যানেল মেয়র-২ মো. আঃ সোবহান, প্যানেল মেয়র-০৩ ফারজানা মিলন পারুল, সংরক্ষিত কাউন্সিলর সৈয়দা নাসিমা বেগম ও পূর্ণিমা রানী দাশ, ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাবুল দাশ, ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. কবির মিয়া, ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. লুৎফুর রহমান, ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ফজল আহমদ চৌধুরী, ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জাকির হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নানু মিয়া, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তারিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. সহিদুল হক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী অরুণ কুমার দাশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা তপন কুমার চন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্যানেটারি ইন্সপেক্টর সুকেশ চক্রবর্ত্তী, কর আদায়কারী মোহাম্মদ ইকবাল আহমেদ, প্রধান সহকারী সরাজ মিয়া, সহকারী কর আদায়কারী পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী, সহকারী কর নির্ধারক ঊমা রানী বণিক, টিকাদান সুপারভাইজার এলেমান আহমেদ চৌধুরী সহ পৌরসভার কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় নবীগঞ্জ উপজেলার বিএনপির যুগ্ম  আহব্বায়ক বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল বারিক  রনির নিজস্ব অর্থায়ন ও সার্বিক সহযোগিতায়  বন্যার্তদের মাঝে রান্না করা খাবার ও কাঁঠাল বিতরণ করা হয়। বুধবার দিনব্যাপী উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কালিমপুর ও মাধবপুরে আশ্রয় কেন্দ্রসহ এলাকার দুই শতাধিক বন্যায় প্লাবিত লোকজনের মাঝে রান্না করা খাবারের সাথে প্রত্যেক পরিবারে একটি করে মৌসুমী ফল কাঁঠাল বিতরণ করা হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে কাঁঠাল ও রান্না করা  খাবার বিতরণ করেন, নবীগঞ্জ-বাহুবলের সাবেক সংসদ সদস্য ও  বিএনপির কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম  আহব্বায়ক আব্দুল বারিক রনি,বিএনপির নেতা  মুর্শেদ আহমদ,উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মনর উদ্দিন, পৌর যুবদলের আহব্বায়ক মোঃ আলমগীর মিয়া, ইউপি সদস্য আকুল মিয়া ইউপি সদস্য,  সভাপতি আফসর মিয়া, জগলুল পাশা সম্পাদক,  বিএনপি নেতা আঃ আহাদ,  ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ মনা, আব্দুল কাইয়ুম ,নানু মিয়া, নোমান মিয়া, সামিউল ইসলাম, রেজাউল করিম, আব্দুল মকিত, জামাল মিয়া,প্রমুখ। এসব বিতরণকালে নবীগঞ্জ-বাহুবলের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া বলেন, এলাকার প্রবাসী ও বিত্তবান লোকজনসহ আমরা সবাই যদি ব্যানায় কবলিত মানুষদের পাশে দাঁড়াই তাহলে তাদের কিছুটা কষ্ট দূর হবে।

নবীগঞ্জ পৌরসভায় বন্যায় কবলিত পৌরসভার ১৫ টি আশ্রয় কেন্দ্রে মাথাপিছু ২ শত টাকা করে ৫ লক্ষ টাকা বিতরণ করেন নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী। গতকাল সোমবার দিনব্যাপী নবীগঞ্জ পৌরসভার কানাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গয়াহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়,রাজাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,নবীগঞ্জ সরকারি জে,কে মডেল হাই স্কুল, হীরা মিয়া গালস হাই স্কুল,চরগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,পূর্ব তিমিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,  নহরপুর দাখিল মাদ্রাসা,শিবপাশা প্রাথমিক বিদ্যালয়,তিমিরপুর দারুল হিকমা মাদ্রাসা, গঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,নবীগঞ্জ সরকারি কলেজ,বঙ্গবন্ধু একাডেমিসহ ১৫ টি আশ্রয় কেন্দ্রে নগদ অর্থ বিতরণ করেন। পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত  ছিলেন  নবীগঞ্জ  পৌরসভার  প্যানেল মেয়র-১ জায়েদ  চৌধুরী, প্যানেল মেয়র-৩ ফারজানা  মিলন পারুল, কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ,জাকির হোসেন,ফজল আহমদ চৌধুরী, কবির মিয়া, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মিঠু, এটিএম সালাম, মোঃ আলমগীর  মিয়া, সায়েল আহমদ প্রিন্স,মোঃ হাসান চৌধুরী, সাগর মিয়া,পৌর  পরিষদের  প্রধান সহকারী সরাজ মিয়া, উপ-সহকারী অরুণ কুমার দাশ,স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সুকেশ চক্রবর্তী,সুপার ভাইজার এলেমান চৌধুরী, মুসা আহমদসহ পৌর পরিষদের কর্মকর্তা কমচারী বৃন্দ।নগদ অর্থ বিতরণকালে মেয়র বলেন, সরকারি ৮টন চালসহ পৌরসভার তহবিল থেকে নগদ অর্থসহ চাল, খাবার,রোগ প্রতিরোধের ঔষধসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি প্রবাসীসহ  শহরের ধনাট্য বিত্তবানদের  বানবাসী পানিবন্দি লোকজনের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

নবীগঞ্জ পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দূর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস.এম মুরাদ আলি। সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে পৌর এলাকার গয়াহরি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ করগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র গুলো পরিদর্শন করেছেন। এ সময় বন্যার্ত মানুষদের খোঁজখবর নেন। তিনি বর্ন্যাত মানুষদের ধৈয্যের সাথে প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলার আহব্বান জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বর্তমান সরকার বন্যার্তদের পাশে রয়েছেন। পুলিশ আপনাদের পাশে আছে। পরে তিনি পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্রয় কেন্দ্র গুলোর বন্যার্তদের মাঝে দুপুরের রান্না করা খাবার নিজ হাতে পরিবেশন করেন। পুলিশ সুপার এস.এম মুরাদ আলি গয়াহরি প্রাইমারী স্কুলে বাশেঁর সাকু পার হয়ে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে যান। এ সময় অন্যাদের মাঝে উপস্হিত ছিলেন নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আবুল খয়ের চৌধুরী, নবীগঞ্জ থনার ওসি মোঃ ডালিম আহমেদ, ওসি (অপারেশন) মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, নবীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি রাকিল হোসেন,সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মিঠু, সাবেক সভাপতি এটিএম সালাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া, মোঃ সেলিম মিয়া তালুকদার, সাংবাদিক এটিএম ফুয়াদ,দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ হাসান চৌধুরী, সাগর মিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পুর্ণিমা রানী দাশসহ সাংবাদিক ও পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ।
 

নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নে  শাখা বরাক নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয়বিহীন ২১ বছর বয়সী এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার দুপুরে শাখা বরাক নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয় লোকজন লাশ দেখতে পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন।তাৎক্ষণিক ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নবীগঞ্জ-বাহুবলের সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের চৌধুরী। এ খবর লেখা পর্যন্ত  মরাদেহ কোন পরিচয় সংক্রান্ত  করা যায়নি।এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ-বাহুবলের সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের চৌধুরী জানান,মরদেহর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।পরিচয় শনাক্তের জন্য হবিগঞ্জ পিবিআই টিম কাজ করছে। ময়না তদন্ত রিপোর্টের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

শুদ্ধাচার পুরস্কার পেয়েছেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহিউদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মধ্যে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহি উদ্দিনকে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদানের জন্য মনোনীত করা হয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে কর্মক্ষেত্রে সততা ও দক্ষতা, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন চর্চা, অভিযোগ প্রতিকারে সহযোগিতা ও স্বপ্রণোদিত হয়ে তথ্য প্রকাশে আগ্রহসহ নিষ্ঠার সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহিউদ্দিন। শুদ্ধাচার পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও নগদ অর্থ প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, দেশে যখন ভয়াবহ বন্যার কারণে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে সরকার তখন পদ্মাসেতু উদ্বোধন নিয়ে আমোদ-ফুর্তিতে ব্যস্ত। পদ্মাসেতু নির্মাণে সরকার অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেছে, যেখানে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে পদ্মার চেয়ে গভীর পানিতে এবং অনেক লম্বা একটি সেতু নির্মাণ হয়েছে পদ্মাসেতুর খরচের ১০ ভাগের এক ভাগ খরচে।শুক্রবার (২৪ জুন) নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও বান্দেরবাজারে বন্যার্ত চার শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।এ সময় গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর বলেন, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ অন্যান্য স্থানে যখন বন্যায় মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে তখন এক পদ্মাসেতু উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সরকার সমস্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে বদ্ধ করে রেখেছে।তিনি বলেন, সরকার বন্যার্ত মানুষের পাশে যেভাবে দাড়াঁনোর কথা ছিল সেভাবে সরকার তাদের পাশে দাঁড়ায়নি, এ বিষয়ে সরকার দায়িত্বহীনতা ও উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে। বন্যায় কবলিত মানুষের মাঝে সরকারের ত্রাণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। এক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থ কিনা তা জনগণ বিচার করবে।এ সময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম ফাহিম, মাহফুজুর রহমান, চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান, সহকারী সদস্য সচিব শেখ খায়রুল কবির, শাহ আজাদ আলী সুমন, কেন্দ্রীয় সদস্য আবু হোসেন জীবন, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোরশেদ মামুন, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ আরিফুল ইসলাম আদিব, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া জাবেদ মায়া, তামান্না ফেরদৌস শিখা, গণ অধিকার পরিষদের নবীগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়ক নুরুল আমিন পাঠান, রেজা কিবরিয়ার প্রেস সচিব শাহাবুদ্দিন শুভ প্রমুখ।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular