Login to your account

Username *
Password *
Remember Me
অপরাধ

অপরাধ (1)

  নিউইয়র্ক সিটিতে   টেক ইন্টারপ্রেনার  সালেহ ফাহিমের মর্মান্তিক  হত্যাকাণ্ডের পর একটি মিছিল মিটিংও  হয়নি অথচ সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের পর সারা বাংলাদেশে অজস্র মিছিল মিটিং হয়েছে।  দুটি হত্যাকাণ্ডের ধরনই মোটামুটি এক,  খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ভিকটিমকে হত্যা করেছে।   

এর কারন  হিসাবে,  কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক একদিন  টকশোতে বলেছিলেন  'সাগর-রুনি' মত  এমন  হত্যাকান্ড অথবা পুলিশ ক্রাইমে জড়িত হওয়ার মত ঘটনা   শুধু যে বাংলাদেশে ঘটে তা নয়, আমেরিকায়ওঘটে।

   বাংলাদেশের মানুষের খেয়ে-দেয়ে  কাজ নেই  বলে মিছিল মিটিং করে আর আমেরিকার মানুষ ব্যস্ত বলে এসব  নিয়ে টু শব্দটিও করেনা। 

   বলা এবং না বলার কারণ : কোন রূপ টু শব্দ না করার পরও ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই সালেহ ফাহিমের হত্যাকারীকে আমেরিকার পুলিশ  গ্রেফতার করেছে অথচ সারা বাংলাদেশের মানুষ চিক চিৎকারের পরও  সাগর-রুনি  হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটটা এখনও  হয়নি , হত্যাকারীকে এরেস্ট করতো  দূরের কথা। 

  সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো  সালেহ ফাহিমের বিল্ডিংয়ে কোন ডোর-ম্যান ছিলোনা আর  ক্যামেরায় কিলারের অবয়ব  ধরা পড়েনি কারণ , হাত মুখ মাথা সবই ঢেকে এসেছিলো কোরুনার  অজুহাতে।   

  অথচ সাগর-রুনি  বাসায় দুজন ডোর-ম্যান ছিলো, জীবিত স্বাক্ষী হিসাবে ছিলো ছেলে মেঘ। সাগর-রুনির পাশের এপার্টমেন্টর মালিক বিল্ডিংয়ের  ডোর-ম্যানকে অভিযোগ করেছিলেন সাগর-রুনির বাসা থেকে কাঁন্নার আওয়াজ আসছে । সর্বোপরি কিলারদের ডিএনএ  ইভিডেন্সসবকিছুতেইলেগেছিলো।

   সাগর-রুনির  হত্যাকারীর  ডিএনএ পুলিশ কালেকশন করতো দূরের কথা সমস্ত ডিএনএকে ধুয়ে মুছে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর কারণ কি ???

    আমেরিকার পুলিশের উদ্যেশ্য থাকে ঘাতককে পাকড়াও করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্টা করা।  আর, বাংলাদেশের পুলিশের উদ্যেশ্য থাকে ঘাতককে আড়াল করা!

 

 

  1. Popular
  2. Trending
  3. Comments

Calender

« September 2020 »
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
  1 2 3 4 5 6
7 8 9 10 11 12 13
14 15 16 17 18 19 20
21 22 23 24 25 26 27
28 29 30