Login to your account

Username *
Password *
Remember Me
shamim chowdhury

shamim chowdhury

editor: Tribute71.com

আমলার অভিজ্ঞতা অর্জন.
               শামীম আহমদ চৌধুরী।

জার্মানিটা ভ্রমন শেষে-
জৈষ্ট তিন আমলা,
অভিজ্ঞতার ঝুলি নিয়ে-
টার্মাকে নামলা।

লাইট ক্যামেরা ব্যস্ত হাতে-
প্রিন্ট মিডিয়ার লোক,
ব্রিফিং শুনে হেসে মরে -
"কেমন বড় ক্রুক!

; "ডিজিটাল ক্যা-মে-রা-
ইয়া বড় বাক্সো,
ব্যাটারিকে মনে হয়-
লাইফবয় লাক্সো।

; "তিন পায়ে ট্রিপড-
টানলে হয় লম্বা,
ল্যান্স যেন খালি পট-
ভিক্স কিম্বা জাম্বা'।"

; "ল্যাদারের ব্যাগে থাকে-
সাথে কড দুখানি,
ভিজে গেলে ন্যাপকিনে-
লাগে তারে শুকানী।"

বাই, বলে এখানেই -
নলেজের ইতি হয়,
পুরুটাই ধামাচাপা-
তাল ছাড়া গীতি হয়।

ভ্রমনের টি.এ. ডি.এ.-
সাথে ছুটি সপ্তার,
ক্যামেরাতো কেনা নয় -
যেন হেলিকপ্টার।
তিন জনেই নিয়ে ছিলো -
সাথে ফুল ফেমিলি,
খর্ছটা দিয়েছিল -
জার্মান ক্যামেলি।
ক্যামিলির শপটাতে-
সব কিছু মাগনা,
আইপড, স্টপওয়াচ-
চেয়ে ছিল ভাগনা।

জার্মান আসা যাওয়া-
পুরুটাই শিক্ষার,
তলা ছাড়া বাস্কেটে-
ঝুলি কেন ভিক্ষার?

রাষ্ট্রের কেন্দ্রে সাহেদ, সম্রাট, পাপিয়াদের অবারিত শক্তির মহড়া দেখে এটি ধারণা করা যায়, " এই রাষ্ট্রে যে যত বেশি খারাপ, সে তত বেশি শক্তিশালী।"
এটি আশ্চৰ্য্যজনক হলেও সত্য আজ রাষ্ট্রে মানুষের প্রভাব প্রতিপত্তি মাপার মানদন্ড হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে : 'কে কত বেশি খারাপ , কে কতবেশি নিচ' তার উপর!!
কখন থেকেই এটি রাষ্ট্রের অলিখিত আইন হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে , কেউ কি বলতে পারবেন?
যে দিন থেকে ক্ষমতাসীনরা বুঝতে পারলো - তত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন করলে ক্ষমতায় যাওয়া যাবেনা, আর যে করেই হোক ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকার জন্য ভিন্ন পথে হাটা শুরু করলো , সে দিন থেকেই। তখনকার প্রধান বিচারপতি আবুল খায়েরকে ত্রাণের নামে বিরাট অংকের টাকা ঘুষ, আর অবসরে চাকুরীর নিশ্চয়তা দিয়ে তত্বাবধায়কের আইন তারা বাতিল করিয়ে নিলো ।
কেউ যাতে আইনের এই ধারা বাতিলের বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং বা কোন ধরণের প্রতিরোধ করতে না পারে সে জন্য পুলিশ, আর্মি , বিজিপি, এমন কি প্রশাসন ক্যাডারে দুষ্ট লোকদের প্রমোশন দিয়ে ক্ষমতার একেবারে পাশে নিয়ে আসা হয়েছে। এরা সরকারকে এখন সেইফ গার্ড দিচ্ছে।
শীর্ষ সন্ত্রসী জুসেফ, অগণিত হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি , তার ফাঁসির দন্ড মওকুফ করে , তার ভাইকে করা হলো আর্মি চিফ। বিজিপির প্রধান করা হলো এমন একজনকে যিনি সম্রাটের সাথে সব সময় উটবস করতেন - তার সাথে অবৈধ ব্যবসায়িক সম্পর্ক আছে।
মোল্লা নজরুল, এখন ঢাকার ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টম্যান্টের প্রধান। সে এক ব্যবসায়ীর বাসায় রাতের আঁধারে হানা দিয়ে, তাকে হাত পা বেঁধে -মেরে পিটে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল। এই অপরাধের কারণে সে চাকুরী থেকে সাসপেন্ডও হয়ে ছিলো । এখন তাকে বিরাট বিরাট প্রমোশন দিয়ে একেবারে সরকারের কাছে নিয়ে আসা হয়েছে।
হারুনুর রশিদ, নারায়ণ গঞ্জ থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন ,টাকার জন্য ঢাকার এক ব্যবসায়ীর বৌ বাচ্চাকে রাতের আঁধারের বাসা থেকে তোলে নিয়ে, রাস্তায় ড্রাঙ্ক অবস্থায় এরেস্ট করার মিথ্যে মামলা দেওয়ার জন্য। তার কোন ধরনের শাস্তিতো হয়-ই-নি উল্টো তাকে প্রমোশন দিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। এগুলো যেন গ্রাম্য চেয়ারম্যান-মেম্বারের করা ভিলেজ পলিটিক্সের মত।
গ্রামের কেউ ছোট খাট অন্যায় (চোরি-চামারি ) করলে মুরব্বিরা পঞ্চায়েত-সালিস বসিয়ে তাকে সুস্ত পথে নিয়ে আসেন। কিন্তু মাঝে মধ্যে গ্রামে এমন কিছু জঘন্য প্রকৃতির মানুষের উদ্ভব হয়, যারা নিতান্তই খারাপ , মুরব্বিরা তাদের বিচার-সালিস কোন কিছু করতে পারেননা।
তাদের বিচার সালিস করার জন্য মুখাপেক্ষী হতে হয় স্থানীয় ইউপি মেম্বার-চেয়ারম্যানদের। নানা বিধ সমাজ বিধ্বংসী খারাপ কাজের জন্য তারা শাস্তি পায়, চেয়ারম্যান/মেম্বার নিজ মুখে সেই দণ্ডের কথা ঘোষণাও করেন, তারপর নিজ হাতে শাস্তি দেবেন বলে চেয়ারম্যান/মেম্বার সালিস থেকে দুষ্কৃতকারীকে নিজের সাথে নিয়ে, চলে যান।
চেয়ারম্যান-মেম্বার এই দুষ্কৃতিকারীকে শাস্তি না দিয়ে রাতে নিজ বাড়িতে পেট ভরে খাবারের ব্যবস্থা করেন। "আজ বিচারে আমি যদি না থাকতাম তাহলে তোমার কি অবস্থা হতো, বুঝতে পেরেছো?? " কথায় কথায় তাকে এটাই বুঝতে চান যে তিনিই তাকে রক্ষা করেছেন। তারপর থেকে সে চেয়ারম্যানের সাথে ছায়ার মত লেগে থাকে। তিনি যা বলেন তা ই সে করে। কাউকে মারতে বললে মারে, কাটতে বললে কাটে। চেয়ারম্যানের কথার সামান্য অবাধ্য হতে গেলেই চেয়ারম্যান তার শাস্তির খর্গের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
এই শাস্তির মুলা ঝুলিয়ে চেয়ারম্যান তাকে দিয়ে সমাজে অনেক দুস্কর্ম করিয়ে থাকেন। আজকের আওয়ামীলীগ সরকার দেশের ছোট বড় সব দুস্কৃকারীকে নিজের পকেটে তোলে নিয়েছে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মত তাদরে দিয়ে সব ধরনের দুস্কর্ম করানোর জন্য।
যে প্রশ্নটি সবার মাথায় আজ ঘুরপাক খাচ্ছে তাহলো,
সরকার কি খারাপ লোকদের খোঁজে খোঁজে নিজের কাছে টেনে নিচ্ছে, নাকি সরকার চুম্বকের মত , খারাপ লোকেরা নিজ থেকেই সরকারের পাশে এসে ভিড় জমাচ্ছে?
আসলে সরকারই নিজ প্রয়োজনে এদের নিজেদের কাছে নিয়ে এসেছে।

সাহেদকে বাটপার বলা যায় না। সে একজন ডাকাত, সন্ত্রাসী, লুটেরা - সর্পোরি একজন পরিশ্রমী, যে নিজের গায়ের শক্তি খাটিয়ে অন্যের সম্পদ দখল করে নিজেকে সম্পদশালী করেছে!
বাটপার তারাই- যারা শাহেদকে অবারিত শক্তির অধিকারী হিসাবে প্রতিষ্টিত করে তার কাছ থেকে টুপাইস কামিয়েছেন। সাহেদ সম্পদ শালী হওয়ার পিছনে আছে প্রচন্ড পরিশ্রম, আত্মত্যাগ আর আত্ম নির্ভরশীলতার এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ। অন্যের সম্পদকে জুর করে নিজের করে নেওয়া চারটি খানি কথা নয়!
শুনেছি , আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুব আলম হানিফের কোটি কোটি টাকা ইনকাম করতে এসব:- চুরি , ডাকাতি, সন্ত্রাসীগিরি করতে হয়নি। তবে শুনে অবাক হয়েছি, তিনি তিন বিঘার একটি ছোট্ট পুকুরে মাছ চাষ করে বছরে কয়েক শ কোটি টাকা কামাই করেছেন! জানিনা , এগুলো সোনার মাছ ছিলো কিনা ????
মাহবুবুল আলম হানিফের মত বাংলদেশে অনেক মুজিবকোট ধারী নেতা আছেন যাদের বৈধ/অবৈধ আয়ের কোন উৎস নাই, তারপর ও কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছেন দেদারসে। কিভাবে কামাচ্ছেন, তার কৌশলের ছিটে-ফুটা কেউ কি বলতে পারবেন ??
তারা সাহেদ , সম্রাট , আরমান , জি.কে. শামীমের মত অজস্র ডাকাত, সন্ত্রাসী, লুটেরা দিয়ে সারা বাংলাদেশ ভরে রেখেছেন। তারা যা ইনকাম করে তার বড় একটি অংশ গড ফাদারদের হাতে তোলে দেয়।
আর মাহবুবে আলম হানিফের মত লোকেরা নিজের বাটের (ভাগ ) কামাই কাড়ি কাড়ি টাকা সুইস ব্যংকে জমা করে , মালয়েশিয়া , সিঙ্গাপুর আর কানাডার বেগম পাড়ায় সেকেন্ড হুম তৈরী করে।
সামান্য পরিশ্রম না করেও এই গড ফাদাররা বড় এমাউন্টে তাদের ভাগের (বাট) টাকা পেয়ে (পার) থাকে। তারা শাব্দিক অর্থেই বাটপার: ভাগ(বাট ) + পাচ্ছে (পার। )

Lumbersexual meh sustainable Thundercats meditation kogi. Tilde Pitchfork vegan, gentrify minim elit semiotics non messenger bag Austin.

Odio deserunt ea, mlkshk Banksy delectus distillery sartorial YOLO Blue Bottle American Apparel irure chambray enim Odd Future. Sapiente sint McSweeneys ut tempor.

Lumbersexual meh sustainable Thundercats meditation kogi. Tilde Pitchfork vegan, gentrify minim elit semiotics non messenger bag Austin.

Odio deserunt ea, mlkshk Banksy delectus distillery sartorial YOLO Blue Bottle American Apparel irure chambray enim Odd Future. Sapiente sint McSweeneys ut tempor.

Lumbersexual meh sustainable Thundercats meditation kogi. Tilde Pitchfork vegan, gentrify minim elit semiotics non messenger bag Austin.

  1. Popular
  2. Trending
  3. Comments

Calender

« November 2020 »
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
            1
2 3 4 5 6 7 8
9 10 11 12 13 14 15
16 17 18 19 20 21 22
23 24 25 26 27 28 29
30